মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের তিনটি স্থানে হামলার নির্দেশ দেয়া হয়েছিল এবং হামলা চালালে এসব স্থানে ১৫০ জন ইরানি নাগরিক নিহত হতো কিন্তু হামলার চালানোর ১০ মিনিট আগে তিনি সে নির্দেশ বাতিল করেন।

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি গত বৃহস্পতিবার ইরানের আকাশসীমায় অনুপ্রবেশকারী মার্কিন ড্রোন ‘আরকিউ-৪এ গ্লোবাল হক’ ভূপাতিত করে। এজন্য তারা নিজস্ব ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করে। ওইদিন সকালে ট্রাম্প ইরানকে বড় ভুল করার জন্য হুঁশিয়ারি দেন এবং সামরিক বাহিনীকে ইরানের ওপর হামলা চালানোর জন্য নির্দেশ দেন। তবে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টন ও কংগ্রেস নেতাদের সঙ্গে আলাপের পর তিনি সে নির্দেশ প্রত্যাহার করেন।

শুক্রবার সকালে ট্রাম্প টুইটার বার্তায় বলেন, “আন্তর্জাতিক পানিসীমার ওপর থেকে তারা একটি চালকবিহীন ড্রোন ভূপাতিত করেছেন। প্রতিশোধ নিতে গতরাতে আমরা বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রস্তুত করেছিলাম এবং তিনটি আলাদা স্থানে হামলার নির্দেশ দিয়েছিলাম। যখন আমি জিজ্ঞেস করলাম কত লোক মারা যাবে তখন এক জেনারেল জানিয়েছে- স্যার ১৫০ জন। হামলার ১০ মিনিট আগে আমি তা বন্ধ করেছি কারণ চালকবিহীন ড্রোন ভূপাতিত করার সঙ্গে এ হামলা সমানুপাতিক হয় না।”

ট্রাম্প আরো দাবি করেন, “আমার মধ্যে তাড়া নেই, আমাদের সেনাবাহিনী পুনর্গঠিত, নতুন ও যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত; বিশ্বের মধ্যে সেরা। ইরানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা কাজ করছে এবং গতরাতে আরো নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। ইরান কখনো পরমাণু অস্ত্র বানাতে পারবে না, আমাদের বিরুদ্ধে তা ব্যবহার করতে পারবে না, সারা বিশ্বের বিরুদ্ধেও না।”

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here