দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ কম্বোডিয়ার পশ্চিমাঞ্চলীয় সিহানৌকভিল শহরের নির্মাণাধীন একটি ভবন ধসে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭ জনে। এতে আহত হয়েছে আরও ২৪ জন। তাছাড়া ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও আরও অনেকে চাপা পড়ে থাকতে পারে বলে আশংকা করছেন উদ্ধার কর্মীরা। রবিবার (২৩ জুন) কর্তৃপক্ষের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে ‘গ্লোবাল নিউজ’।

বার্তা সংস্থা ‘এএফপি’ জানায়, শনিবার (২২ জুন) স্থানীয় সময় ভোর ৪টায় সমুদ্র সৈকত সংলগ্ন শহরের সাততলা বিশিষ্ট ভবনটি হঠাৎ ধসে যায়। চীনা মালিকানাধীন সেই ভবনটি ধসের সময় নির্মাণ কর্মীরা সেখানেই অবস্থান করছিলেন।

এ দিকে ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে প্রদেশের গভর্নর ইউন মিন ‘এএফপি’কে বলেছেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত বেশ কিছু মৃতদেহ উদ্ধার করেছি। তাছাড়া ধ্বংসস্তূপের ভিতরে আরও অনেকগুলো মরদেহ দেখা গেছে বলে আমরা জেনেছি।’

তিনি আরও জানান, নির্মাণাধীন সেই ভবনটির ভিতরে এখনও বেশ কিছু লোক চাপা পড়ে থাকতে পারেন; এমন আশংকা থেকে সেখানে জোর তৎপরতা চালানোর জন্য উদ্ধার কর্মীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রিয়াহ সিহানৌক গভর্নর ইউন মিন এও জানিয়েছেন, ধসে যাওয়া এই ভবনটির মালিক একজন চীনা নাগরিক। সম্প্রতি তিনি কম্বোডিয়ার এক মালিকের কাছ থেকে জমিটি ক্রয় করেন।

অপর দিকে কম্বোডিয়া পুলিশের দাবি, ভবনের চীনা মালিকসহ চারজনকে ইতোমধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাছাড়া কম্বোডিয়ান ভূমিমালিককেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে দেশটির তথ্যমন্ত্রী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া পোস্টে বলেন, ‘ভবনটির প্রায় ৭০ থেক ৮০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। ধসে যাওয়ার সময় শ্রমিকরা ভবনটির ভেতরেই ঘুমচ্ছিলেন।’

তথ্যমন্ত্রী তার তার ফেসবুক পোস্টে আরও বলেন, ‘ধ্বংসস্তূপের ভিতরে এখনও প্রায় ৩০ জনের বেশি লোক থাকতে পারে বলে আমরা ধারণা করছি। এতে নিহতদের সকলেই কম্বোডিয়ার নাগরিক। যাদের মধ্যে কয়েকজন নির্মাণ শ্রমিক ও একজন দোভাষী ছিলেন।’

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here