ইরানের ওপর আমেরিকার আরোপিত নয়া নিষেধাজ্ঞাকে ‘আশঙ্কাজনক’ আখ্যায়িত করে রাশিয়া বলেছে, এ নিষেধাজ্ঞা এই ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, তেহরান-ওয়াশিংটন উত্তেজনা একটি বিপজ্জনক পরিণতির দিকে ধাবিত হচ্ছে।

মালদ্বীপ সফররত রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সিনিয়র কর্মকর্তাদেরকে ব্যক্তিগতভাবে টার্গেট করে যে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছেন তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তিনি বলেন, বর্তমান উত্তেজনাকর পরিস্থিতি ২০০৩ সালের কথা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে যখন আমেরিকা ইরাকে আগ্রাসন চালানোর জন্য একটি অজুহাত খুঁজছিল।

রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সে সময় ওয়াশিংটন দাবি করেছিল, ইরাকের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনের কাছে গণ-বিধ্বংসী অস্ত্র আছে। কিন্তু পরবর্তীতে ইরাক দখলের পর এ ধরনের কোনো অস্ত্রই পাওয়া যায়নি।

ল্যাভরভ বলেন, “আমরা সবাই পরিণতিটা জানি। ২০০৩ সালের মে মাসে আমেরিকা ইরাকে ‘গণতন্ত্রের বিজয়’ ঘোষণা করে। কিন্তু গত ১৬ বছর ধরে আমরা সে গণতন্ত্রের স্বরূপ হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছি।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার ইরানের সর্বোচ্চ নেতা, তার কার্যালয় ও ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি’র আট শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন।  মার্কিন অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, চলতি সপ্তাহেই ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মাদ জাওয়াদ জারিফকেও নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হবে। এ সম্পর্কে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেছেন, এ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার মাধ্যমে আমেরিকা আলোচনার দরজা চিরতরে বন্ধ করে দিয়েছে।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here