ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সাইয়্যেদ আব্বাস মুসাভি বলেছেন, তার দেশ কূটনীতির জবাব কূটনীতি দিয়ে এবং চাপের জবাব প্রতিরোধের মাধ্যমে দেবে। ইরানকে কূটনীতির জবাব কূটনীতির মাধ্যমে দিতে হবে বলে সম্প্রতি মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের মুখপাত্র যে মন্তব্য করেন তার জবাব দিতে গিয়ে শনিবার রাতে একথা বলেন মুসাভি।

তিনি বলেন, মার্কিন সরকারের কাছে কূটনীতি মানে নিষেধাজ্ঞা ও অর্থনৈতিক সন্ত্রাসবাদ। ইরান এখন পর্যন্ত আমেরিকার কথিত কূটনীতিতে বেআইনি নিষেধাজ্ঞা, যুদ্ধ ও অর্থনৈতিক সন্ত্রাসবাদ ছাড়া অন্য কিছু দেখেনি বলে কূটনীতি দিয়ে তার জবাব দেয়া তেহরানের পক্ষে সম্ভব নয়।

মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার মুখপাত্র গ্যারেট মারকুইস গতকাল (শনিবার) এক ধৃষ্টতাপূর্ণ বক্তব্যে ইরানকে তার শান্তিপূর্ণ পরমাণু কর্মসূচি পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়ার আহ্বান জানান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে আলোচনায় বসার কথিত যে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন তাকে ‘কূটনীতি’ আখ্যা দিয়ে মারকুইস বলেন, ইরানকে ট্রাম্পের এই কূটনীতির জবাব কূটনীতি দিয়ে দিতে হবে

 

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ২০১৮ সালে ইরানের পরমাণু সমঝোতা থেকে বেআইনিভাবে বেরিয়ে গিয়ে তেহরানের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার পর এ পর্যন্ত অসংখ্যবার ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। ট্রাম্প দাবি করছেন, ইরানকে আলোচনায় বসতে বাধ্য করার জন্য দেশটির ওপর ‘সর্বোচ্চ চাপ’ সৃষ্টি করা হচ্ছে।

কিন্তু ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী গত বুধবার এক ভাষণে বলেছেন, তার দেশকে নিরস্ত্রীকরণ করার পাশাপাশি ইরানের শক্তিমত্তার স্থানগুলোতে আঘাত হানার লক্ষ্যে ওয়াশিংটন তেহরানের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চায়। তিনি আরো বলেন, ইরানের শক্তিমত্তায় ভীত হয়ে মার্কিনীরা সামনে অগ্রসর হতে ভয় পাচ্ছে। এ অবস্থায় কথিত আলোচনার মাধ্যমে এই শক্তিমত্তা ইরানের কাছ থেকে কেড়ে নেয়ার ষড়যন্ত্রে মেতেছে ওয়াশিংটন। তিনি ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে যেকোনো ধরনের আলোচনার সম্ভাবনা প্রত্যাখ্যান করেন।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here