২০১৯-২০ অর্থবছরের জন্য ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকার বাজেট পাস করেছে জাতীয় সংসদ। রোববার দুপুরে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এটি পাসের সুপারিশ করলে কণ্ঠভোটে তা পাস হয়। এরপর সংসদ সদস্যরা টেবিলে চাপড়ে স্বাগত জানান।

গত ১৩ জুন জাতীয় সংসদে ‘সমৃদ্ধ আগামীর পথযাত্রায় বাংলাদেশ: সময় এখন আমাদের, সময় এখন বাংলাদেশের’ শীর্ষক এ বাজেট উথাপন করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, তার পক্ষে বাজেট বক্তৃতার একাংশ পড়েন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাজেট পাসের প্রক্রিয়ায় মন্ত্রীরা নিজ নিজ মন্ত্রণালয়ের ব্যয় নির্বাহের যৌক্তিকতা তুলে ধরে মোট ৫৯টি মঞ্জুরি দাবি সংসদে উথাপন করেন। দাবিগুলো সরকারি দলের সদস্যের কণ্ঠভোটে পাস হয়।

৪৮৪টি ছাঁটাই প্রস্তাবের মধ্যে ৪টি মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দের উপর আনীত ছাঁটাই প্রস্তাবে বিরোধীদলের সদস্যরা আলোচনায় অংশ নেন। পরে কণ্ঠভোটে ছাঁটাই প্রস্তাবগুলো নাকচ হয়ে যায়। তারপর সংসদ সদস্যরা টেবিল চাপড়ে নির্দিষ্টকরণ বিল-২০১৯ পাসের মাধ্যমে ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট অনুমোদন করেন। বিলটি উথাপন ও পাস করার প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচনের মাধ্যমে টানা তৃতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর সরকারের এই মেয়াদের প্রথম বাজেট এটি। অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালেরও ঘোষিত প্রথম বাজেট এটি।

নতুন অর্থবছরের জন্য পাস হওয়া ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকার বাজেট বিদায়ী ২০১৮-১৯ র্অথবছরের সংশোধিত বাজেটের চেয়ে ১৮ শতাংশ বেশি।

নতুন বাজেটে জিডিপির প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছে ৮ দশমিক ২ শতাংশ। মূল্যস্ফীতির ধরা হয়েছে ৫ দশমকি ৫ শতাংশ। উন্নয়ন ব্যয় ধরা হয়েছে ২ লাখ ১১ হাজার ৬৮৩ কোটি টাকা, যা বিদায়ী অর্থবছরের সংশোধিত উন্নয়ন বাজটেরে চেয়ে প্রায় ২২ শতাংশ বেশি।

নতুন বাজেটে পরিচালন ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ লাখ ১০ হাজার ২৬২ কোটি টাকা। রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ লাখ ৭৭ হাজার ৮১০ কোটি টাকা। ভ্যাট থেকে রাজস্ব সংগ্রহ করা হবে ১ লাখ ২৩ হাজার ৬৭ কোটি টাকা। বাজেটে জিডিপির ঘাটতি ধরা হয়েছে ৫ শতাংশ।

**রাজনৈতিক, ধর্মবিদ্বেষী ও খারাপ কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন।**

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here